Requirements not met

Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.


Browser unsupported

Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:

Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.


Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.

If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.


Your browser either has Cookies turned off or does not support cookies.

If you are unsure how to enable Cookies in your browser, please visit wikiHow's »How to Enable Cookies in Your Internet Web Browser«.

 

Language / ভাষা:

হাইলাইট:

এই বিভাগে

নিউজ লেটার

Please subscribe to our newsletter to receive current news highlights, as well as news and information about Doinik Ekattorer Chetona.

বিজ্ঞাপন

  • Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  •  Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA) · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  • Document Preparation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Celebration of Mother Language, Culture and Heritage at MotherLanguageDay.ca
  • Legal Witnessing Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Samajkantha Online Inc. · The Voice of Society · Bengali online news magazine
  • Asian News and Views · Bengali online news magazine

Bengali Fonts

You need to install at least one Bengali font to read or write Bengali.

We offer a .ZIP-File true type font for download. Read the following installation instructions to see how to install the font.

সম্পাদকীয়

নস্টালজিয়া, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: প্রবাসে বাংলাদেশি স্বপ্নের নতুন অধ্যায়
দেলোয়ার জাহিদ

বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার শহরগুলোতে আজ গড়ে উঠেছে এক নতুন বাংলাদেশ—এক নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-অরিজিন আমেরিকান ও কানাডিয়ান সমাজ। নিউইয়র্ক, টরন্টো, আটলান্টা, এডমন্টন, ক্যালগারি, ভ্যাঙ্কুভার, ডালাস কিংবা ম্যাকন—যেখানেই বাংলাদেশি পরিবারগুলো বসতি গড়েছে, সেখানেই জন্ম নিয়েছে এক অদৃশ্য কিন্তু গভীর অনুভূতির পৃথিবী—“হোম অ্যাওয়ে ফ্রম হোম”। এই অনুভূতির মধ্যে রয়েছে নস্টালজিয়া, শিকড়ের টান, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, শিক্ষা, স্বপ্ন এবং আগামী প্রজন্মকে উন্নত জীবন ও নেতৃত্বের পথে এগিয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—তারা কখনো তাদের শিকড় ভুলে যায় না। প্রবাসে থেকেও ঈদের সকালে সেমাইয়ের গন্ধ, পহেলা বৈশাখের রঙ, গ্রামের বাড়ির স্মৃতি কিংবা ঢাকার ব্যস্ত রাস্তাগুলো তাদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকে। অনেক বাবা-মা সন্তানদের বলেন—“আমাদের দেশ ছোট হতে পারে, কিন্তু তার সংস্কৃতি, ভাষা ও আত্মার শক্তি অনেক বড়।” এই অনুভূতিই নস্টালজিয়াকে শুধু স্মৃতির আবেগে সীমাবদ্ধ রাখে না; বরং তা হয়ে ওঠে আত্মপরিচয়ের শক্তি।

বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার জীবনের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। বাংলাদেশে পারিবারিক বন্ধন, আত্মীয়তার উষ্ণতা ও সামাজিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জীবন অধিকতর ব্যক্তিকেন্দ্রিক, সময়নিষ্ঠ ও প্রতিযোগিতামূলক। তবুও প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারগুলো চেষ্টা করে দুই জগতের সেরা মূল্যবোধকে একত্র করতে। তারা সন্তানদের শেখায়—একদিকে আধুনিক জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শিক্ষা গ্রহণ করতে, অন্যদিকে মানবিকতা, ধর্মীয় চেতনা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক পরিচয় অক্ষুণ্ণ রাখতে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন হলো সন্তানদের উচ্চমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা। অনেক পরিবার দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে, অতিরিক্ত শিফটে কাজ করে, ছোট ব্যবসা গড়ে তোলে কিংবা নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে শুধুমাত্র সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। তাদের বিশ্বাস—শিক্ষাই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং নেতৃত্ব গঠনের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। এই স্বপ্ন শুধু ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তারা চায় সন্তানরা যেন সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক, দক্ষ পেশাজীবী ও মানবিক নেতা হয়ে উঠতে পারে।

এই বাস্তবতার মধ্যেই গত দুই মাসের আমেরিকা সফরের অভিজ্ঞতা এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বোস্টন থেকে ওয়াশিংটন, এবং ওয়াশিংটন থেকে জর্জিয়ার ম্যাকন—পুরো ভ্রমণজুড়ে লেখালেখি যেমন চলেছে, তেমনি অবসর মুহূর্তে মাছ শিকারের অভিজ্ঞতাও ছিল স্মরণীয়। প্রকৃতির নীরবতা, নদীর ধারে অপেক্ষার দীর্ঘ সময় এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো যেন প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে এক প্রশান্তির পরশ এনে দেয়। মাছ শিকার এখানে কেবল বিনোদন নয়; এটি ধৈর্য, মনোযোগ, মানসিক প্রশান্তি ও পারিবারিক বন্ধনেরও প্রতীক। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারের কাছে এ ধরনের আউটডোর কার্যক্রম সন্তানদের প্রকৃতি, শৃঙ্খলা ও মানসিক ভারসাম্যের শিক্ষা দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তবে পুরো ভ্যাকেশনকে সবচেয়ে অর্থবহ করে তুলেছে দুটি গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান। প্রথমটি ছিল ড. হাসানের কন্যা আফিয়া হাসানের (ছবিতে আফিয়ার গ্রাডুয়েশন পার্টি) আফিয়ার রয়েছে এক বর্ণাঢ্য স্কুল শিক্ষা জীবন ও নেতৃত্বের সুনিপুন গুণাবলী .যা প্রতিটি মেয়ের জন্য অনুকরণীয় এবং দ্বিতীয়টি ১৭ মে ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত ড. মাহবুবুর রহমান ও মন্টেসরি শিক্ষিকা ছবি রহমানের পুত্র জারিফ রহমানের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান। দুই অনুষ্ঠানের প্রতিটিতে দেড় শতাধিক কমিউনিটি সদস্য, ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মুনাজাতের মাধ্যমে শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা, ধর্মীয়মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিকতার এক সুন্দর সমন্বয়ও তুলে ধরা হয়।

বিশেষভাবে আলোচনায় আসে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জারিফ রহমানের অসাধারণ সাফল্য। ২০২৬ সালে Stratford Academy-এর Valedictorian হওয়ার পাশাপাশি তিনি অর্জন করেছেন John Philip Sousa Band Award, National Band Leadership Award, Bibb County Star Student, Scholar Athlete Award, Excellence in Mathematics Award, Mercer University এবং Habitat for Humanity-এর First Place Holiday Lighting Contest Award এবং মর্যাদাপূর্ণ Haynie Award। জারিফের এই সাফল্য শুধু একটি পরিবারের গর্ব নয়; এটি প্রমাণ করে সঠিক দিকনির্দেশনা, পারিবারিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার সমন্বয় কীভাবে একজন তরুণকে নেতৃত্বের উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। একইভাবে জারিয়া ও জারিফের মতো শিক্ষার্থীদের অর্জন বাংলাদেশের অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় উদাহরণ।

এই ধরনের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় শুধু একটি সামাজিক আয়োজন নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। পরিবার, শিক্ষক ও কমিউনিটির সম্মিলিত উপস্থিতি তরুণদের মনে আত্মমর্যাদা ও অনুপ্রেরণার বীজ বপন করে। শিক্ষার্থীরা উপলব্ধি করতে শেখে—শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বরং সমাজ ও মানবতার কল্যাণের জন্যও অপরিহার্য।

প্রবাসী জীবনের বাস্তবতা অবশ্য সহজ নয়। ভাষাগত চ্যালেঞ্জ, সাংস্কৃতিক অভিযোজন, পরিচয়ের সংকট, বর্ণবাদ কিংবা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা—সবকিছুই তাদের জীবনের অংশ। কিন্তু এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশি পরিবারগুলো আশাবাদী থাকে। কারণ তারা বিশ্বাস করে, কঠোর পরিশ্রম, সততা ও শিক্ষার মাধ্যমে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। আজকের বাংলাদেশি-আমেরিকান ও বাংলাদেশি-কানাডিয়ান তরুণ প্রজন্ম সেই স্বপ্নেরই প্রতিচ্ছবি। তারা চিকিৎসা, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, আইন, ব্যবসা, গবেষণা, গণমাধ্যম ও রাজনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয়কে ধারণ করে বহুসাংস্কৃতিক সমাজে নেতৃত্বের নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করছে।

নস্টালজিয়া তাই শুধু অতীতের স্মৃতি নয়; এটি এক শক্তি, যা মানুষকে তার শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখে। “হোম অ্যাওয়ে ফ্রম হোম” শুধু একটি আবেগ নয়; এটি সংগ্রামের ইতিহাস, স্বপ্নের যাত্রা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের এক মহৎ প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের মাটি থেকে উঠে আসা এই মানুষগুলো প্রমাণ করেছে—যেখানেই থাকুক না কেন, শিক্ষা, মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও মানবিক নেতৃত্বের মাধ্যমে তারা বিশ্বকে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক করে তুলতে পারে।
==========

#বাংলাদেশীডায়াস্পোরা
#প্রবাসেস্বদেশ
#বাংলাদেশীআমেরিকান
#বাংলাদেশীকানাডিয়ান
#প্রবাসেরগল্প
#শিক্ষারগুরুত্ব
#ভবিষ্যতেরনেতৃত্ব
#সমাবর্তনউৎসব
#বাংলাদেশীসমাজ
#অভিবাসনেরঅভিযাত্রা
#স্মৃতিওপরিচয়
#নেতৃত্ববিকাশ
#বাংলাসংস্কৃতি
#গর্বিতবাংলাদেশী
#শিক্ষার্থীদেরসাফল্য
#সেরাস্নাতক
#যুবনেতৃত্ব
#পারিবারিকমূল্যবোধ
#বাংলাদেশথেকেআমেরিকা
#বাংলাদেশথেকেকানাডা
#বহুসাংস্কৃতিকনেতৃত্ব
#শিক্ষাগতউৎকর্ষ
#সমাজেরপ্রেরণা
#আগামীপ্রজন্ম
#বাংলাদেশীযুবসমাজ
#সাংস্কৃতিকপরিচয়
#স্বপ্নওসংকল্প
#সাফল্যেরগল্প
#বাংলাঐতিহ্য
#প্রজন্মেরপ্রেরণা