Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
Language / ভাষা:
সাহিত্য
কানাডার আলবার্টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন
- Details
কানাডার আলবার্টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন
আলবার্টা, কানাডা ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বেসা ):গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে এডমন্টনের রাউণ্ডল পার্কের এসিটি একুয়েটিক রিক্রিয়েশন সেন্টারে যথাযোগ্য দিবস দুটি পালিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক বুদ্ধিজীবী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রক্তিম স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, দিনটিতে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে এই দিনে আমরা লাভ করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্র যার ভিত্তি ছিলো ৪টি স্তম্ভ -গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ।
মহান মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর ছয়দফা ও ৬৯ এর ১১ দফার আন্দোলন, ও ৭০ এর নির্বাচনের মাধ্যমে স্বাধিকার আন্দোলনের পুরোধা স্থপতি, প্রবাসী সরকারের নেতৃবৃন্দ ও সকল সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধা ও নির্যাতিতা মা বোনদের আত্মত্যাগের ইতিহাস বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধা সংসদ কানাডার প্রতিষ্ঠাকালীন কার্যনির্বাহী ও নর্থ আমেরিকান জূর্নালিস্টস নেটওয়ার্কের সভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টার (বেসা ) সভাপতি সাইফুর হাসান। উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার কবির হোসেন, সংবাদপত্রসেবী মো: ইসমাইল, হায়দার জান চৌধুরী, অটোমোটিভ টেকনিসিয়ান তানভীর হাসান, শাকিল আহমেদ, রায়হানা রাসমিন, নারী প্রতিনিধি সোনিয়া আক্তার, সেলিনা ইসলাম, আয়েশা পারভীন, শিউলী বেগম, রিমা বেগম, সাবিরা হাসান, ওশেনিয়া প্রমুখ।
প্রধান অতিথি জাহিদ বলেন দেশের স্বাধীনতা অর্জনে শহীদদের এ আত্মত্যাগ ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হলেও একে রাজনৈতিক কারণে বিতর্কিত করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের সামনে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল-শামস বাহিনীর হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের পরিবারবর্গকে হেয় প্রতিপন্ন করছে এবং এর পিছনে যাদের মদদ রয়েছে তারা এখন দেশে গৃহযুদ্ধের ডাক দিচ্ছে।
জাহিদ শিশু কিশোরদের পরিবার ও শিক্ষালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম তথা মুক্তিযুদ্ধের উপলব্ধি, দায়বদ্ধতা ও প্রকৃত ইতিহাসচর্চার আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান ।
বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টার পক্ষ থেকে তিনি নতুন অভিবাসীদের এডমন্টনে স্বাগত জানান এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হবার আহ্বান জানিয়ে মুক্ত আলোচনার সুযোগ দেন , আলোচনায় অংশ নেন শিল্পী তামিম হোসেইন, মোন্তাসির মামুন, মো: জামাল উদ্দিন, মো: রাইস উদ্দিন, সুলতান রাসেল এবং সাইফুর হাসান।
সভায় বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টাকে পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয় : সভাপতিঃ সুলতান রাসেল, সহসভাপতি : মো: জামাল উদ্দিন , সেক্রেটারি -মো রহিস উদ্দিন, কোষাধক্ষ : মুনতাসির মামুন এবং এক্স অফিসিও : এস. হাসান।
প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন । প্রধান অতিথি জাহিদ সভাপতি সাইফুর হাসান ও সুলতান রাসেলকে নিয়ে শিশু কিশোরদের মাঝে বিজয়দিবসের গিফট বিতরণ করেন।
বাংলাদেশী খাবার পরিবেশন উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে.
ছবিতে : আলোচনা ও গল্পের আড্ডা
২. শিশুদের মাঝে গিফট বিতরণ করেছেন প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ
৩.প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পরিচয় পর্বে বক্তব্য রাখছেন
বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব কানাডার ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৫৪তম মহান বিজয় দিবস পালিত
- Details
বাংলাদেশের ৫৪তম মহান বিজয় দিবস, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব কানাডার ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ২৪তম আন্তর্জাতিক লেখক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব কানাডা আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক অনলাইন অনুষ্ঠান। ‘সৃজনের আলোয় বিজয়গাঁথা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় জুম প্ল্যাটফর্মে। বিজয় দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৫৪ জন বরেণ্য ও নবীন লেখকের অংশগ্রহণ ছিল এই আয়োজনের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ।
টরন্টো সময় সকাল ১০টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠানটি চলে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনে বাংলাদেশ, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব এবং আফ্রিকার লেসোথোসহ বিভিন্ন দেশের লেখক, সাহিত্যিক ও অতিথিরা যুক্ত হন। ফলে অনুষ্ঠানটি পায় এক আন্তর্জাতিক ও বিশ্বজনীন রূপ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। কি-নোট স্পিকার হিসেবে থাইল্যান্ড থেকে যুক্ত হন ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক স্বনামধন্য সম্প্রচারক রোকেয়া হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন কবি ইউসুফ রেজা, ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, ড. শিহাব শাহরিয়ার, রবিশঙ্কর মৈত্রী, শাহজাহান চঞ্চল, আনিস আহমেদ, ড. ডিসি সাহা, সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, নাট্যব্যক্তিত্ব আফরোজা বানু এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, গান, নৃত্য ও শ্রুতিনাটক পরিবেশিত হয়। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পুথিপাঠ ও শ্রুতিনাটক দর্শকদের গভীরভাবে মুগ্ধ করে। শিশু-কিশোর পর্বে প্রবাসী নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত ও আশাব্যঞ্জক করে তোলে।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় বাংলাদেশ ও কানাডার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মানসী সাহা আয়োজনের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। সংগঠনের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা কবি মৌ মধুবন্তী তাঁর বক্তব্যে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং অনলাইনভিত্তিক বই প্রদর্শনীর আয়োজনের কথা জানান। আয়োজকদের মতে, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব কানাডা অনলাইনে বই প্রদর্শনীর মাধ্যমে এক অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেছে।
ছয়টি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঋতুশ্রী ঘোষ, মোয়াজ্জেম খান মনসুর, সার্বভৌম রায় মজুমদার, মম কাজী, জান্নাতুল নাইম ও তাসরীনা শিখা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারী ৫৪ জন কবি ও সাহিত্যিককে ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদান করে সম্মাননা জানানো হয়।
দেশপ্রেম, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সম্মিলনে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান প্রবাসে বাংলা সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।
একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন অভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন চিরনিদ্রায় শায়িত
- Details
কানাডায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন অভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন। ১২ অক্টোবর শনিবার বাদ জোহর আকরাম জুম্মা মসজিদে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে তাকে কক্রেন কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় বিভিন্ন কমিউনিটির প্রচুর সংখ্যক লোকের সমাগম ঘটে।
অভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন ১১ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় কানাডার রকিভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মূত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
যুক্তরাষ্ট্রর আটলান্টা থেকে কানাডার ক্যালগেরিতে ছেলে তাশফিন হোসেন তপুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন অভিনেতা জামালউদ্দিন হোসেন। ১৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান, তার ইউরিন ইনফেকশন হয়েছে। পরে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছিলেন না। । এর পরই চিকিৎসকরা তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি দীর্ঘ দিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
টিভি নাটক দিয়ে দর্শকের কাছে জনপ্রিয়তা পেলেও মঞ্চ ছিল তার সবচেয়ে ভালোবাসার মাধ্যম। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি থেকে মঞ্চ নাটকে অভিনয় শুরু করেন জামালউদ্দিন। পরে কাজ করেছেন চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকেও। অভিনেতার শেষ জীবন কেটেছে আমেরিকায়। সেখানে ২০০৬ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন তিনি। প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করতেন, পাশপাশি মঞ্চেও ছিলেন সক্রিয়। নিউইয়র্কে তার স্ত্রী অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেনও থাকতেন।
জামালউদ্দিন হোসেন ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন। ১৯৯৭ সালে তিনি তার নিজের নাট্যগোষ্ঠী নাগরিক নাট্যাঙ্গন অনসাম্বল শুরু করেন এবং এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বেতার টেলিভিশন শিল্পী সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
জামালউদ্দিন হোসেন ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘রাজা রাণী’, ‘চাঁদ বণিকের পালা’, ‘আমি নই’, ‘বিবি সাহেব’, ‘যুগলবন্দী’সহ কয়েকটি আলোচিত মঞ্চ নাটক পরিচালনা করেছেন।
জামালউদ্দিন হোসেনের জন্ম ৮ অক্টোবর ১৯৪৩ সালে। তিনি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও নাট্যকর্মী। শিল্পকলায় তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে তাকে একুশে পদক প্রদান করেন।
জামালউদ্দিন হোসেন ১৯৭৫ সালে অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তারা উভয়ই নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের শিল্পী ছিলেন, সেখানেই তাদের প্রথম পরিচয় হয়েছিল। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
মন্ট্রিয়লে উদীচীর নতুন কমিটি গঠিত
- Details
কানাডার মন্ট্রিয়লে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর শাখা প্রতিষ্ঠার প্রায় এক যুগ পর নতুন কমিটি গঠন করা হল।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) স্থানীয় ক্যাফে রয়াল রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনকে সভাপতি ও কন্ঠ শিল্পী শর্মিলা ধরকে সাধারণ সম্পাদক করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদ্য প্রাক্তন সভাপতি বাবলা দেব শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর সবার সম্মতিক্রমে উপদেষ্টা ও কার্যকরী কমিটির নাম ঘোষণা করেন। নবগঠিত কমিটির শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত লেখক তাজুল মোহাম্মদ।
সম্মেলনের শুরুতে সম্মিলিত কন্ঠে স্থানীয় শিল্পীরা দেশাত্মবোধক সংগীত করেন।
বাবলা দেব ছাড়াও নতুন সভাপতি সৈয়দ শাখাওয়াত হোসেন ও তাজুল মোহাম্মদ উদীচীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বক্তব্য দেন।
তারা বলেন, ‘উদীচী প্রতিষ্ঠা হয়েছিল যে লক্ষ্য নিয়ে তা’ এখনও সুদূর পরাহত। শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির সক্রিয় চর্চার মাধ্যমে জনমনে জাগরণ সৃষ্টি করে শোষণমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠার কাজ উদীচী করে যাচ্ছে নিরন্তর।’
তারা বাংলাদেশে মৌলবাদমুক্ত একটি শোষণ বঞ্চনাহীন সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রবাসে থেকেও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সকলকে সহযোগিতা করার অনুরোধও করেন তারা।
উল্লেখ্য, মন্ট্রিয়লে উদীচীর শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয় ২০১২ সালে। প্রতিষ্ঠাকালীন প্রথম কমিটির পর আর কমিটি গঠন করা হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলো।
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Asian News and Views
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh






