এডমন্টনে জরুরি বিভাগে দীর্ঘ অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির মৃত্যু, জবাবদিহি ও দায় নির্ধারণের দাবি পরিবারের
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এডমন্টনের ৪৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু আলবার্টার স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জরুরি সেবা বিলম্ব, জবাবদিহির অভাব এবং সম্ভাব্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
২২ ডিসেম্বর গ্রে নানস কমিউনিটি হাসপাতালে মারা যান প্রশান্ত শ্রীকুমার। সেদিন তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে তিনি জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। পরিবারের ভাষ্যমতে, হাসপাতালে পৌঁছানোর পরপরই তার ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) এবং রক্তপরীক্ষা করা হয়, যেখানে তাৎক্ষণিক কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি। কিন্তু উপসর্গ ক্রমশ বাড়তে থাকলেও তাকে প্রায় আট ঘণ্টা জরুরি বিভাগের অপেক্ষাকক্ষে বসে থাকতে হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে চিকিৎসাকক্ষে নেওয়ার পর তিনি হঠাৎ লুটিয়ে পড়েন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যান।
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান
- Details
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান
গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানকে সম্মানসূচক রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত করা হয়। ছবি: আইএসপিআর
ঢাকা, ৬ মার্চ, ২০২৫ (বাসস) : সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সফরকালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি কন্টিনজেন্টসমূহ ও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সেনাবাহিনী প্রধানকে অবহিত করা হয়। এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
সেনাবাহিনী প্রধান স্পেশাল রিপ্রেজেন্টিভ অব দ্য সেক্রেটারি জেনারেল (এসআরএসজি) ভ্যালেন্টিন রুগওয়াবিজা এবং ফোর্স কমান্ডার লেফটেনেন্ট জেনারেল হামফ্রেজ এনজোন এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক আর্মড ফোর্র্সেস (এফএসিএ) এর প্রধান জেনারেল মামাডুও জিফিরিন এর সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে, প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং সেনাবাহিনী প্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক শান্তিরক্ষী মিশনের অধীনে বেসামরিক লোকদের সহায়তার অংশ হিসেবে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নির্মিত তোয়াদেরা কমিউনিটি ক্লিনিক এর শুভ উদ্বোধন করেন।
এছাড়াও, সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এর প্রেসিডেন্ট ফাস্টিন আর্চেঞ্জ তোয়াদেরা এর সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এর জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানকে সম্মানসূচক রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত করেন।
এছাড়াও, সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বাংগি এলাকায় নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কন্টিনজেন্টসমূহ পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারের পাশাপাশি সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।
উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান গত ৩ মার্চ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরে গমন করেছিলেন।
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রতিবাদ এবং চিম্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ
- Details
সেকুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট ইউকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সামনে একটি প্রতিবাদ সভা এবং মানববন্ধন করেছে। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে সোচ্চার বাংলাদেশি প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবাদ সভা এবং মানববন্ধনের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর চলমান নিপীড়ন, বাড়িঘরে হামলা, পরিকল্পিত গণহত্যা, সম্পত্তি দখল, ধর্ষণ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। বিশেষ করে, হিন্দু ধর্মীয় সন্ন্যাসী চিন্ময় দাসকে মিথ্যা অভিযোগে বিনা বিচারে কারাগারে দীর্ঘ সময় আটক রাখা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের প্রতিবাদে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার রক্ষার জন্য কমনওয়েলথের দায়িত্বের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ প্রয়োগের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সেকুলার বাংলাদেশ ইউকে-এর চেয়ারম্যান পুষ্পিতা গুপ্তা এই সমাবেশের নেতৃত্ব দেন। অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ-বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে প্রধান বক্তারা ছিলেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সৈয়দ এনাম ইসলাম, শাহ নেওয়াজ, স্বরূপ শ্যাম চৌধুরী, জ্ঞান গুপ্ত, অতীশ সাহা, রাম সাহা, নিশিত সরকার, মিনা চক্রবর্তী, সুরঞ্জিত গুপ্ত, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সুজিত চৌধুরী এবং জামাল খান।
বাংলাদেশ হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন ইউকে-এর পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সুজিত চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। লেবার পার্টির নেতা স্বরূপ চৌধুরী শিবুও বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, "চিন্ময় দাসকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত আক্রমণ, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, সম্পত্তি দখল, চাকরি থেকে জোরপূর্বক অপসারণ এবং রাজনৈতিক নিপীড়ন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।" সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশে মানবাধিকার এবং ধর্মীয় সহনশীলতার পক্ষে আন্তর্জাতিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে। বক্তারা বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন ও দমনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
- বৈদেশিক মুদ্রা লঙ্ঘনের জন্য ভারত বিবিসিকে জরিমানা করেছে
- বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা অধিকারের অগ্রগতি বিশ্লেষণ: স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করার দিকে একসাথে কাজ করা
- প্রসাধনীতে প্যারাবেনস নেভিগেট করা- উদ্বেগকে বোঝা ও নিরাপদ বিকল্পগুলিকে এখনি অনুসরণ করা
- পনেরই আগস্ট দেশকে সংবিধান বহির্ভূত বিশেষ সামরিক আইনের আওতায় আনা হয়






