Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
Language / ভাষা:
দেশের খবর
যৌবনে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ: ফিরে দেখা সেই দিনগুলি//দেলোয়ার জাহিদ
- Details
যৌবন মানেই স্বপ্ন, সাহস ও আত্মত্যাগের সময়। মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম ও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ইতিহাসের বহু মহামানব দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে আমরা সেই আহ্বানের বাস্তব রূপ দেখেছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ঘোষণা—“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমি, আতিক, নুরু, মোহনসহ অসংখ্য তরুণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধে। শুধু আমরা কয়েকজন নয়—ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সমগ্র বাঙালি জাতি। ৪ঠা জুলাই ১৯৭১ ভৈরব বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে এক দুঃসাহসী আক্রমণ চালাতে গিয়ে শহীদ হন আতিক ও নুরু। ওরা দুজনই ছিল ছাত্র।
সাসকাচোয়ানে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার
- Details
কানাডার সাসকাচোয়ানে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব সাসকাচোয়ানের উদ্যোগে বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সাসকাচোয়ানের হোটেল কনফেডারেশন ইনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সাসকাটুন সিটির ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবার্ট পিয়ার্স এবং এমপি ব্র্যাড রেডেকপের ম্যানেজার ড্যানিয়েল ক্যাসওয়েল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিলেটি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অংশ নেন। তাদের উপস্থিতি ও শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।
অতিথিরা তাদের বক্তব্যে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও কমিউনিটির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠান সফল করতে সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের সভাপতি সাইফুল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন আহমেদ।
ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধন জোরদারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন
- Details
ঢাকা, ২২ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে আজ রোববার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটিতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে, তিনি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত সেনা সদস্যদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন। এ সময় তিনি দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
সফরকালে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
**বাংলাদেশে সংঘাত-পরবর্তী শাসনব্যবস্থা: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নেই টেকসই বিকল্প—প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব**
- Details
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ আজ একটি গভীর সংঘাত-পরবর্তী শাসন সংকটে দাঁড়িয়ে। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এমনকি পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা নেওয়া এখন আর তাত্ত্বিক অনুশীলন নয়, বরং রাজনৈতিক প্রয়োজন।
সংঘাত-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনে বাংলাদেশ কার্যত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভিন্ন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বৈধতা ও আস্থার সংকট দূর করতে পারেনি। রক্তাক্ত রাজনৈতিক সংঘাত—গৃহপালিত অস্থিরতা, দমন-পীড়ন কিংবা আধা-গৃহযুদ্ধের পর—যে তিনটি মৌলিক চ্যালেঞ্জ সাধারণত দেখা দেয়, বাংলাদেশ আজ তার সবকটির মুখোমুখি:
এক, গণতান্ত্রিক বৈধতা পুনরুদ্ধার;
দুই, প্রতিশোধ ও ‘জয়ী-সব-নেয়’ রাজনীতির চক্র রোধ;
তিন, সাংবিধানিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠন।
কোন ধরনের সরকার বা শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠবে, তা নির্ভর করে কয়েকটি নির্ধারক বিষয়ের ওপর—সেনাবাহিনীর ভূমিকা, রাজনৈতিক দলগুলোর সক্ষমতা, নাগরিক সমাজের শক্তি, আন্তর্জাতিক চাপ এবং অতীত রূপান্তরের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে একটি বিরল সুযোগ এসেছিল। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বৈধতা পুনরুদ্ধার সম্ভব হতে পারত। দীর্ঘদিনের বিতর্কিত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত জনগণ এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ওপরই আস্থা রেখেছিল।
এই আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। জনগণ প্রত্যাশা করেছিল যে বাহিনীটি তার পেশাদারিত্ব, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে। বাস্তবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা পুনর্গঠন, নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে দৃশ্যমান সাফল্য আসেনি। বরং সরকার, নির্বাচন কমিশন ও নিরাপত্তা কাঠামোর সমন্বয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী মডেল প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী সংস্কৃতি পুনরুত্পাদনের লক্ষণই স্পষ্ট হয়েছে।
যেকোনো সাংবিধানিক রাষ্ট্রে সশস্ত্র বাহিনী একদিকে যেমন বিপুল ক্ষমতার অধিকারী, অন্যদিকে তেমনি সমান দায়িত্বের বাহক। রাজনৈতিক সংকটকালে তাদের ভূমিকা নির্ধারণ করে দেয়—একটি রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক পথে স্থিতিশীল হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয়ের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের মতো গভীরভাবে মেরুকৃত সমাজে প্রশ্নটি তাই আর তাত্ত্বিক নয়: সশস্ত্র বাহিনী কি হস্তক্ষেপ করবে, কোনো পক্ষের সঙ্গে সারিবদ্ধ হবে, নাকি কঠোরভাবে পেশাদার থাকবে?
সংবিধান, তুলনামূলক অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের নিজস্ব ইতিহাস একটি সুস্পষ্ট উত্তর দেয়—আপোষহীন পেশাদারিত্বের সঙ্গে যুক্ত কঠোর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতাই একমাত্র টেকসই পথ।
সামরিক নিরপেক্ষতা নিষ্ক্রিয়তা নয়; এটি একটি সক্রিয়, সাংবিধানিক ও আইনসম্মত অবস্থান। নিরপেক্ষ থাকা মানে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং সংবিধান, রাষ্ট্র এবং নাগরিকের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখা। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব কোনো সরকার বা রাজনৈতিক দলকে রক্ষা করা নয়; বরং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সংবিধানের মর্যাদা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত সমাজে সেনাবাহিনীকে “স্থিতিশীলতার রক্ষক” হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা থাকলেও ইতিহাস দেখায়—সামরিক মধ্যস্থতা কখনোই গণতান্ত্রিক সংকটের টেকসই সমাধান নয়। এমনকি জনপ্রিয় হস্তক্ষেপও দীর্ঘমেয়াদে বেসামরিক শাসন দুর্বল করে এবং সেনাবাহিনীকে একটি অনানুষ্ঠানিক ‘guardian authority’-তে পরিণত করে।
বাংলাদেশের ইতিহাস প্রমাণ করে যে সামরিক সম্পৃক্ততা কখনোই টেকসই সাংবিধানিক শৃঙ্খলা আনেনি। বরং তা গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ, বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা এবং বৈধতার সংকট বাড়িয়েছে। তথাকথিত “স্থিতিশীল হস্তক্ষেপ” তত্ত্ব তাই আইনগত ও সাংবিধানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ।
অতএব, বাংলাদেশের জন্য একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ হলো—সশস্ত্র বাহিনীর প্রশ্নাতীত প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা, বেসামরিক কর্তৃত্বের স্পষ্ট পুনর্ব্যক্তকরণ এবং আদালত, সংসদ ও নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন যদি তা সত্যিকার অর্থে সাংবিধানিক পদক্ষেপ হয়.
সশস্ত্র বাহিনীর প্রকৃত শক্তি রাজনীতিতে হস্তক্ষেপে নয়, বরং সংবিধানের সীমার মধ্যে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করার মধ্যেই নিহিত।
বাংলাদেশে সামরিক-সমর্থিত শাসনব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার ঘাটতি একটি কাঠামোগত বাস্তবতা। এ ধরনের ব্যবস্থায় রাজনৈতিক শক্তিগুলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিবর্তে প্রায়শই একটি সাংবিধানিক বহির্ভূত রেফারির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা গণতান্ত্রিক শাসনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র বাহিনী যদি কোনো পক্ষের সঙ্গে—এমনকি পরোক্ষভাবেও—সম্পৃক্ত বলে প্রতীয়মান হয়, তবে তা জনআস্থাকে আরও ক্ষুণ্ন করবে, রাজনৈতিক প্রতিরোধকে তীব্র করবে এবং সংকটকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আরোপিত স্থিতিশীলতা স্বভাবতই অস্থায়ী; বিপরীতে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত বৈধতাই টেকসই।
এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী বিকল্প হলো—
সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা
বেসামরিক কর্তৃত্বের অধীনতার স্পষ্ট ও প্রকাশ্য পুনর্ব্যক্তকরণ
সামরিক কমান্ড কাঠামো ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সুস্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক বিভাজন
আদালত, নির্বাচন কমিশন ও সংসদের মতো আইনসম্মত বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন
সামরিক প্রতীক, ভাষা কিংবা উপস্থিতির যেকোনো রাজনৈতিক ব্যবহারে শূন্য সহনশীলতা
সশস্ত্র বাহিনীকে কেবল তাদের সাংবিধানিক ও বৈধ ভূমিকাতেই দৃশ্যমান থাকা উচিত—জাতীয় প্রতিরক্ষা, দুর্যোগ মোকাবেলা, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা। রাজনৈতিক অভিনেতা বা ক্ষমতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের কোনো ভূমিকা নেই।
উপসংহার: সংযমই প্রকৃত শক্তি
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র বাহিনীর প্রকৃত শক্তি রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতায় নয়, বরং সেই প্রভাব বিস্তার থেকে সচেতনভাবে বিরত থাকার ক্ষমতায় নিহিত। নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দুর্বলতার লক্ষণ নয়; এগুলো একটি রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক পরিপক্কতার প্রকাশ।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—রাজনৈতিক সংঘাতের সময় সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ থাকলে জাতি ভেঙে পড়ে না; বরং সেনাবাহিনী যখন কোনো পক্ষ বেছে নেয়, তখনই রাষ্ট্র কাঠামো ভঙ্গুর হয়ে ওঠে।
লেখক: দেলোয়ার জাহিদ, স্বাধীন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মুক্তিযোদ্ধা, সভাপতি, বাংলাদেশ নর্থ আমেরিকান জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক, এডমন্টন, আলবার্টা, কানাডা
Subcategories
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Asian News and Views
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh






