Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
Language / ভাষা:
দেশের খবর
সীমান্তের কাঁটাতার, রাষ্ট্রের দেয়াল ও মানুষের মনস্তত্ত্ব: বিভাজনের রাজনীতি ও মানবিক সম্পর্কের দার্শনিক পাঠ
- Details
//দেলোয়ার জাহিদ//
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী–এর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বিএসএফকে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে পরাজিত করার পর নতুন সরকার দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতা হাইকোর্ট সীমান্তবর্তী নয়টি জেলায় বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছিল।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না, সরকারও ভয় পায় না।” এই বক্তব্য মূলত একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বার্তা—বাংলাদেশ সীমান্ত রাজনীতিকে ভয় বা চাপের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং সার্বভৌম মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে দেখতে চায়। একই সঙ্গে এ প্রতিক্রিয়ায় একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও রয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও দুই দেশের মানুষের ঐতিহাসিক, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা যায় না। ফলে এই বক্তব্য কেবল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়; বরং বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, আঞ্চলিক কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং সীমান্ত রাজনীতির প্রতি একটি প্রতীকী অবস্থান হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে, সীমান্ত রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু মানবতাবাদী দর্শন মনে করিয়ে দেয়—মানুষ রাষ্ট্রের আগে এসেছে; তার ভাষা, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও সম্পর্ক কোনও কাঁটাতারের যুক্তিতে সীমাবদ্ধ নয়। একটি সীমান্ত যখন গ্রামকে গ্রাম থেকে, পরিবারকে পরিবার থেকে, কিংবা ইতিহাসকে ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে, তখন সেখানে কেবল ভূখণ্ড ভাগ হয় না; ভাগ হয়ে যায় মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও পারস্পরিক আস্থা। কাঁটাতারের দু’পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ একই ভাষায় কথা বললেও রাষ্ট্রীয় রাজনীতির কারণে তারা ধীরে ধীরে “অপর” হয়ে ওঠে। এই “অপরীকরণ” (Othering) আধুনিক রাষ্ট্রনীতির অন্যতম গভীর মনস্তাত্ত্বিক সংকট।
বিশ্বের বহু সীমান্ত—Berlin Wall থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বিভক্ত ভূখণ্ড—প্রমাণ করেছে, দেয়াল মানুষের চলাচল থামাতে পারে, কিন্তু মানুষের আকাঙ্ক্ষা, স্মৃতি ও সম্পর্ককে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে পারে না। বরং প্রতিটি কাঁটাতার মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক বিভাজন যতই কঠোর হোক, মানবিক সংযোগ তার চেয়েও গভীর।
কাঁটাতারের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—এটি স্মৃতিকে দ্বিখণ্ডিত করে। একই নদী, একই লোকসংস্কৃতি, একই পারিবারিক ইতিহাস দুই রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে গেলে মানুষের পরিচয়ও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে জন্ম নেয় এক অন্তর্গত শূন্যতা। রাষ্ট্র হয়তো মানচিত্রে বিজয়ী হয়, কিন্তু মানুষ তার ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা হারায়। এই ক্ষরণ দৃশ্যমান নয়, কিন্তু তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মনোজগতে বয়ে চলে।
বিভাজনের রাজনীতি সবসময় দেয়ালকে নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে। অথচ বাস্তবে দেয়াল যত উঁচু হয়, মানুষের মধ্যে অবিশ্বাসও তত গভীর হয়। দেয়াল রাষ্ট্রকে সাময়িক রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা মানবিক সম্পর্কের ভিত্তিকে দুর্বল করে। কারণ দেয়াল মানুষের মধ্যে সংলাপ নয়, দূরত্ব তৈরি করে; সহাবস্থান নয়, বিচ্ছিন্নতাকে স্থায়ী করে। মানুষের সম্পর্ক ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, আত্মীয়তা ও পারস্পরিক নির্ভরতার ওপর গড়ে ওঠে। যখন একটি দেয়াল সেই স্বাভাবিক যোগাযোগকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে ভীতি, অবিশ্বাস ও মানসিক দূরত্ব জন্ম নেয়। অর্থাৎ দেয়াল কেবল ভূখণ্ড আলাদা করে না; এটি মানুষের আবেগ ও চেতনাকেও বিভক্ত করে।
“দেয়াল মানুষের মধ্যে সংলাপ নয়, দূরত্ব তৈরি করে”—এই বক্তব্যে সংলাপকে সভ্যতার মৌলিক মানবিক উপাদান হিসেবে দেখা হয়েছে। সংলাপ মানে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহমর্মিতা ও সহাবস্থানের সম্ভাবনা। দেয়াল সেই সম্ভাবনাকে সংকুচিত করে মানুষকে “অপর” হিসেবে দেখতে শেখায়। ফলে প্রতিবেশী মানুষ আর প্রতিবেশী থাকে না; তারা “অন্য রাষ্ট্রের মানুষ” বা “সম্ভাব্য হুমকি” হিসেবে চিহ্নিত হতে শুরু করে। এই মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনই বিভাজনের রাজনীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
দার্শনিকভাবে সীমান্তের কাঁটাতার এক ধরনের অস্তিত্ববাদী সংকটও তৈরি করে। মানুষ তখন প্রশ্ন করে—আমার পরিচয় কি কেবল একটি পাসপোর্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ? আমার ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও মানবিক সম্পর্ক কি রাষ্ট্রীয় নীতির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর রাষ্ট্র অনেক সময় দিতে পারে না; কারণ রাষ্ট্রের যুক্তি ক্ষমতার, কিন্তু মানুষের যুক্তি স্মৃতি ও মানবিকতার। মিশেল ফুকো–এর “নজরদারি রাষ্ট্র” ধারণার আলোকে সীমান্ত যেন ক্ষমতার এক জীবন্ত প্রতিফলন। সীমান্তের দেয়াল কেবল মানুষকে থামায় না; এটি মানুষের মনে ভয়, সন্দেহ ও অনিশ্চয়তার সংস্কৃতি তৈরি করে। সীমান্তবাসী মানুষ প্রতিনিয়ত অনুভব করে যে তারা রাষ্ট্রের পূর্ণ নাগরিক নয়, বরং একটি “ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল”-এর অধিবাসী। ফলে সীমান্ত এক সময় ভৌগোলিক রেখা থেকে মানসিক কারাগারে রূপ নেয়।
অতএব, দেয়াল বা কাঁটাতারের বেড়া কেবল নিরাপত্তা অবকাঠামো নয়; এগুলো বিভাজনের রাজনীতি, মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব এবং মানবিক ক্ষরণের প্রতীক। রাষ্ট্র নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ভাষায় দেয়াল নির্মাণ করে, কিন্তু মানবিকতা মানুষের মধ্যে সংযোগ, স্মৃতি ও সহমর্মিতার পক্ষে দাঁড়ায়। দেয়াল হয়তো সীমান্ত রক্ষা করতে পারে, কিন্তু তা মানুষের হৃদয়ের মধ্যে অদৃশ্য বিভাজনও তৈরি করে—যার ক্ষতি অনেক বেশি গভীর, দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রজন্মান্তরে বহমান
স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের ভার্চুয়াল নীতি সংলাপ: হামের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান
- Details
ঢাকা, ২৪ এপ্রিল ২০২৬||
দেশে হামের ক্রমবর্ধমান প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে “হাম নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক নীতি সংলাপ: টিকাদান কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার জবাবদিহিতা জোরদারকরণ” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল সভা শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট প্রবাসী সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ। তিনি তার সাম্প্রতিক গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণে দেশের বর্তমান হামের সংকট, টিকাদান কর্মসূচির দুর্বলতা এবং নীতিগত সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের হামের এই পুনরুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে—এটি কি কেবল জনস্বাস্থ্য সংকট, নাকি নীতিগত ব্যর্থতার প্রতিফলন? এ বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, টিকাদান কর্মসূচির কাভারেজে দৃশ্যমান ঘাটতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অর্জিত ৯০ শতাংশের বেশি কভারেজ অনেক ক্ষেত্রে কমে যাওয়ায় সংক্রমণ বিস্তারের ঝুঁকি বেড়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লাস্থ Bangladesh Academy for Rural Development (BARD)-এর সাবেক পরিচালক ড. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. সেলিনা আক্তার, এমবিবিএস, পিজিটি (গাইনি ও অবস), ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা।
আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও সাংবাদিকরা। তাদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন (বিশেষ সংবাদদাতা বাসস), ফিরোজ মিয়া (সম্পাদক, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়), শামসুল হাবিব (যুগান্তর), প্রবাসী ব্যবসায়ী শাখাওয়াত ইকবাল, কানাডা প্রবাসী তামিম হোসেন, প্রকৌশলী কোরা হাসান ইভানা, উদ্যোক্তা ও কনসালট্যান্ট এবং এশরার জাহিদ।
ডা. সেলিনা আক্তার বলেন, গত দুই বছরে দেশে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং নিশ্চিত ও উপসর্গভিত্তিক মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২১৫-এ পৌঁছেছে। তিনি একে জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনার আহ্বান না জানিয়ে বলেন, যথাযথ পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তিনি পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, হামের কারণে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে, যা শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায় এবং কখনও আক্রান্তদের অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।
আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ—একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে এবং লক্ষণ প্রকাশের আগেই এটি ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, টিকাপ্রাপ্ত শিশু এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরাও সংক্রমিত হচ্ছে।
দেলোয়ার জাহিদ বলেন, টিকাদান কর্মসূচির দুর্বলতা, টিকা সংগ্রহে গাফিলতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং সমন্বয়ের অভাব বর্তমান সংকটকে তীব্র করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত দেশব্যাপী গণটিকাদান জোরদার, টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সরকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। স্টেপ টু হিউম্যানিটির পক্ষ থেকে সংক্রামক রোগ কর্নার চালু, শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ সরবরাহ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির সুপারিশ করা হবে। পাশাপাশি সংগঠনটি জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করবে।
নারীনেত্রী নাসিমা আক্তার বলেন, গুজব ও ভ্রান্ত তথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি স্বাস্থ্যকে মানবাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দারিদ্র্য বা বৈষম্যের কারণে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়া মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
সভাপতির বক্তব্যে ড. কামরুল হাসান বলেন, স্বাস্থ্য কেবল একটি সেবা নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার। World Health Organization-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতার পূর্ণতাই প্রকৃত স্বাস্থ্য। তাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সবার জন্য সমানভাবে নিরাপদ চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
সভায় দেলোয়ার জাহিদ বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় হিসেবে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন: ১. জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা ২. ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের ক্ষেত্রে ৬ মাস বয়স থেকে টিকাদানের নীতিগত বিবেচনা ৩. স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ৪. রিয়েল-টাইম ডাটা মনিটরিং ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলা ৫. গণসচেতনতা ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি করা
হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। তবুও যদি শতাধিক শিশু মৃত্যুবরণ করে, তবে তা কেবল একটি স্বাস্থ্য সংকট নয়—এটি আমাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। এখনই সময়—দায় স্বীকার, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করার।
প্রকৌশলী কোরা হাসান ইভানা কমিউনিটি সংযোগ বৃদ্ধি ও সামাজিক সচেতনতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশের গণমাধ্যমগুলোকে আরো বলিষ্ট ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী কোরা হাসান ইভানা, উদ্যোক্তা, কনসালট্যান্ট (ন্যায্য জ্জ্বালানি রুপান্তর, শিশু সুরক্ষা)
যৌবনে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ: ফিরে দেখা সেই দিনগুলি
- Details
যৌবন মানেই স্বপ্ন, সাহস ও আত্মত্যাগের সময়। মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম ও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ইতিহাসের বহু মহামানব দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে আমরা সেই আহ্বানের বাস্তব রূপ দেখেছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ঘোষণা—“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমি, আতিক, নুরু, মোহনসহ অসংখ্য তরুণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধে। শুধু আমরা কয়েকজন নয়—ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সমগ্র বাঙালি জাতি। ৪ঠা জুলাই ১৯৭১ ভৈরব বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে এক দুঃসাহসী আক্রমণ চালাতে গিয়ে শহীদ হন আতিক ও নুরু। ওরা দুজনই ছিল ছাত্র।
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Asian News and Views
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh






