Requirements not met

Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.


Browser unsupported

Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:

Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.


Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.

If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.


Your browser either has Cookies turned off or does not support cookies.

If you are unsure how to enable Cookies in your browser, please visit wikiHow's »How to Enable Cookies in Your Internet Web Browser«.

 

Language / ভাষা:

হাইলাইট:

এই বিভাগে

নিউজ লেটার

Please subscribe to our newsletter to receive current news highlights, as well as news and information about Doinik Ekattorer Chetona.

বিজ্ঞাপন

  • Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  •  Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA) · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  • Document Preparation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Celebration of Mother Language, Culture and Heritage at MotherLanguageDay.ca
  • Legal Witnessing Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Samajkantha Online Inc. · The Voice of Society · Bengali online news magazine
  • Asian News and Views · Bengali online news magazine

Bengali Fonts

You need to install at least one Bengali font to read or write Bengali.

We offer a .ZIP-File true type font for download. Read the following installation instructions to see how to install the font.

সমসাময়িক

গণতন্ত্র কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি টিকে থাকে নাগরিক আস্থার ওপর। সেই আস্থার জন্ম হয় এমন একটি নির্বাচন থেকে, যেখানে মানুষ বিশ্বাস করে—তার ভোটের মূল্য আছে, তার মতামত রাষ্ট্র শুনবে। এই আস্থা ভেঙে গেলে নির্বাচন যতই সাংবিধানিক হোক না কেন, তা রাষ্ট্রকে নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাখতে পারে না। বাংলাদেশ আজ ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।

নির্বাচনের আর হাতে গোনা কয়েক সপ্তাহ বাকি । এই শেষ সময়ে  এসে প্রশ্নটি আর রাজনৈতিক কৌশলের নয়, বরং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের—এই নির্বাচন কি জনগণের আস্থা নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে, নাকি আস্থাহীনতার ভার নিয়েই ফল ঘোষণায় পৌঁছাবে? ইতিহাস বলে, শেষ মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্তই অনেক সময় একটি নির্বাচনের বৈধতা ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন একটি অসম প্রতিযোগিতায় রূপ নেয়। এমন নির্বাচনে আইনি বৈধতা থাকলেও রাজনৈতিক বৈধতা থাকে না। আর এই ঘাটতি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গভীর সংকট, দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও সামাজিক মেরুকরণ সৃষ্টি করে—যার মূল্য দেয় সাধারণ নাগরিক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের প্রশ্নও এখন আর তাত্ত্বিক নয়। নারী, সংখ্যালঘু, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নামমাত্র উপস্থিতি অন্তর্ভুক্তি নয় সকল দল ও মতের অংশ গ্রহণ জরুরি । তাদের ভোট, কণ্ঠ ও প্রতিনিধিত্ব যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান না হয়, তবে এই নির্বাচন সমাজের বড় অংশের কাছে দূরত্ব ও বর্জনের প্রতীক হয়ে উঠবে। প্রতীকী অন্তর্ভুক্তি আসলে বর্জনের আধুনিক রূপ—যা নীরব ক্ষোভ জমা করে এবং ভবিষ্যতে বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়।

সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতা। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আস্থার সংকট দূর না হলে নির্বাচন প্রতিযোগিতা নয়, বরং ক্ষমতা সংরক্ষণের প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে শুধু বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিই নয়, সাধারণ নাগরিকও ভোট প্রক্রিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। ভোটাধিকার তখন কাগজে থাকবে, বাস্তবে তার মূল্য শূন্যে নেমে আসবে।

এই বাস্তবতা আন্তর্জাতিক পরিসরেও স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হচ্ছে। ভারত, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করছে—এটি কোনো গোপন বার্তা নয়। বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের সাম্প্রতিক সংকটও দেখিয়েছে, আস্থার ঘাটতি কেবল অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়; তা কূটনীতি, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে। রাশিয়ার সংযত অবস্থানও একই বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করে—আস্থা ও সংলাপ ছাড়া স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।

এখনও সময় পুরোপুরি ফুরায়নি।
এই শেষ সপ্তাহেই রাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে—সব রাজনৈতিক শক্তির জন্য সমান সুযোগ, নিরাপদ ও নির্ভয় প্রচার পরিবেশ, নির্বাচন কমিশনের কার্যকর স্বাধীনতা এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার দৃশ্যমান নিশ্চয়তা। এগুলো কোনো অতিরিক্ত দাবি নয়; এগুলোই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ন্যূনতম শর্ত।

নির্বাচন কেবল ফল ঘোষণার দিনে শেষ হয় না।
ভুল নির্বাচন একটি প্রজন্মের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়—এবং সেই বোঝার ভার সবচেয়ে বেশি বহন করে সাধারণ মানুষ। আজকের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে, এই নির্বাচন রাষ্ট্রের জন্য আস্থার ভিত্তি হবে, নাকি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঝুঁকির উত্তরাধিকার রেখে যাবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই।

 

দেলোয়ার জাহিদ, স্বাধীন রাজনীতি বিশ্লেষক, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ নর্থ আমেরিকান জূর্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সভাপতি (এডমন্টন, আলবার্টা, কানাডা)



ভাষা আন্দোলনের ৭৩ বছর এবং স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দৈনিক ইত্তেফাক ৭৩ বছরে পদার্পণ করেছে। এটি কেবল একটি সংবাদপত্রের বয়স নয়—এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক বিকাশ ও নাগরিক প্রতিরোধের এক জীবন্ত দলিল। ১৯৫৩ সালের উত্তাল সময়ে জন্ম নেওয়া ইত্তেফাক শুরু থেকেই আপসহীন সত্য, স্বাধিকার এবং গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ক্ষুরধার সম্পাদকীয় নেতৃত্বে ইত্তেফাক পাকিস্তানি বৈষম্য, নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে নির্ভীক কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ—প্রতিটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ইত্তেফাক ছিল জন-প্রতিরোধের ভাষাদুর্গ ও জনগণের দিশারি। স্বাধীনতার পরও গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় পত্রিকাটি দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। পক্ষপাতহীনতা, গঠনমূলক সমালোচনা এবং নৈতিক সাহস—এই গুণাবলির ইত্তেফাককে রাষ্ট্রের প্রকৃত অর্থে ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

কিন্তু আজ এই ‘চতুর্থ স্তম্ভ’-এর অস্তিত্বই গভীর সংকটে।

গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির ওপর সমন্বিত আক্রমণ: একটি বিপজ্জনক বার্তা

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫—দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী দুটি সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে সহিংস আক্রমণ, একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট-এ ভাঙচুর—এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। এগুলো স্বাধীন গণমাধ্যম, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও মুক্ত চিন্তার ওপর পরিকল্পিত ও সমন্বিত আক্রমণের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

একই রাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসকে জনতার হাতে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে আরও নগ্ন করে তোলে। অথচ রাষ্ট্র, যার মৌলিক দায়িত্ব নাগরিকের জীবন রক্ষা, সে দায়িত্ব পালনে দ্রুত ও কার্যকর সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

উদ্বেগজনকভাবে, সরকারের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকেই অভিযোগ উঠেছে—এই সহিংস ঘটনার সঙ্গে ক্ষমতার ভেতরের কিছু অংশ জড়িত থাকতে পারে। হামলার সময় সংবাদমাধ্যম দুটির প্রাঙ্গণে সাংবাদিক ও কর্মীরা আগুনে আটকা পড়ে জীবনঝুঁকিতে পড়েছিলেন—এ তথ্য রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতাই নির্দেশ করে।

নীরবতা, জড়তা ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি

এই সহিংসতার পর সংবাদপত্রের মুদ্রিত ও অনলাইন সংস্করণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের হয়রানি ও শারীরিক ভয় দেখানো প্রমাণ করে—কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার অনুপস্থিতিতে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে দমনে এক ধরনের সাহসিকতা জন্ম নিচ্ছে।

ছায়ানটের ওপর হামলা আরও বিস্তৃত একটি প্রবণতার দিক নির্দেশ করে—সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, শিল্পী ও মতের বৈচিত্র্যের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈরিতা। অনলাইন ও অফলাইন সহিংসতার এই বিপজ্জনক সংমিশ্রণ, ঘৃণ্য বক্তব্যের বিস্তার, সমন্বিত হয়রানি এবং রাষ্ট্র-অনুমোদিত নজরদারির ধরণ দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে আরও পোক্ত করছে।

বিশেষভাবে উদ্বেগজনক হলো—কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও প্রকাশ্য সহিংসতার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন, যা তাদের অনুসারী ও সংগঠিত নেটওয়ার্ক দ্বারা আরও বিস্তার লাভ করছে। এতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মানবাধিকার সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতাও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

আইনি ও নৈতিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বাস্তবতা

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনে—বিশেষ করে ICCPR-সহ—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক জীবন ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা বাংলাদেশের ওপর বর্তায়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু লঙ্ঘন না করা নয়; বরং রাষ্ট্রীয় ও অ-রাষ্ট্রীয় উভয় পক্ষের সহিংসতা প্রতিরোধ, তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত ও প্রতিকার প্রদান করা।

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও দমন-পীড়নের নজির, আর আজকের প্রেক্ষাপটে লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার মুখে রাষ্ট্রীয় জড়তা—এই দুই চরমপন্থাই বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।

উপসংহার ও সুপারিশ

বাংলাদেশ যদি সত্যিই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে চায়, তবে চতুর্থ স্তম্ভকে দুর্বল করার এই প্রবণতা অবিলম্বে রুখতে হবে। এজন্য—

গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

দায়ীদের—রাষ্ট্রীয় বা অ-রাষ্ট্রীয়—অবিলম্বে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

সাংবাদিক, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য কার্যকর নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

ঘৃণ্য বক্তব্য ও সহিংসতার আহ্বান রোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বোপরি, রাষ্ট্রকে স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিতে হবে—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যম কোনো আপসযোগ্য বিষয় নয়।

ইত্তেফাকের ৭৩ বছরের ইতিহাস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—গণমাধ্যম যখন নীরব হয়, তখন গণতন্ত্র অন্ধকারে ঢুকে পড়ে। রাষ্ট্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ রক্ষা করা মানেই রাষ্ট্রকেই রক্ষা করা।

দেলোয়ার জাহিদ, স্বাধীন রাজনীতি বিশ্লেষক, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ নর্থ আমেরিকান জূর্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সভাপতি (এডমন্টন, আলবার্টা, কানাডা)

 

 

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানকে ২৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়া নিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগ

ওয়াশিংটন, ডিসি, ২১ ফেব্রুয়ারী – বাংলাদেশের একটি অজ্ঞাত প্রতিষ্ঠানকে ২৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার উদ্দেশ্য দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে শক্তিশালী করা। শুক্রবার মার্কিন গভর্নরদের সাথে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প তহবিল সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন যে, প্রাপক একটি অজ্ঞাত প্রতিষ্ঠান যার মাত্র দুজন কর্মচারী ছিল।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, “২৯ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে শক্তিশালী করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানে গেছে। যার নাম কেউ কখনও শোনেনি।” তিনি প্রাপকের বৈধতা নিয়ে আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আপনি কী কল্পনা করতে পারেন? এখানে একটি ছোট কোম্পানি ১০,০০০ বা ১০০,০০০ ডলার পায়, কিন্তু সেই কোম্পানি ২৯ মিলিয়ন ডলার পায়। মাত্র দুজন কর্মচারী আছে। আমার মনে হয় তারা খুব খুশি, খুব ধনী হতে চলেছে। তাদের ছবি খুব শীঘ্রই বড় বড় ব্যবসায়িক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবে।”

যদিও প্রশ্নবিদ্ধ সংস্থাটির বিস্তারিত এখনও অস্পষ্ট, ট্রাম্পের মন্তব্য বিদেশী সাহায্য বিতরণ এবং তদারকি সম্পর্কে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের যুক্তি, এত বড় অঙ্কের অর্থ তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর তদন্তের আওতায় আনা উচিত। তবে, অন্যরা যুক্তি দেন যে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে প্রায়শই তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোগগুলিকে সমর্থন করার জন্য ছোট সংস্থাগুলির সাথে অংশীদারিত্ব জড়িত থাকে।

এখন পর্যন্ত, বিদেশী সাহায্য বিতরণের জন্য দায়ী মার্কিন সংস্থাগুলি বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাহায্য বরাদ্দে স্বচ্ছতার দাবি বাড়ার সাথে সাথে বিষয়টি আরও মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্কিন বিদেশী সাহায্য নীতি এবং বিদেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা প্রচারে তাদের কার্যকারিতা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে এই উন্নয়ন ঘটেছে।

'যে কোন বাঙালির মনে প্রশ্ন আসবেই, স্বাধীনতার সময় আমাদের পত্রিকাগুলো কি পক্ষপাতদুষ্ট ছিল? প্রতিমাসে আমাদের খবরগুলো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ছিল। আমি সেই সময়কার বিভিন্ন দেশের পত্রিকা আর্কাইভ, ইন্টারনেট থেকে খুঁজে তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি। একাত্তরের মার্চের পূর্ববর্তী সময় থেকে শুরু করেছিলাম। বিদেশী পত্রিকাগুলো বিশেষ করে নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছিল, দেশটা ধীরে ধীরে সংঘাতের দিকে আগাচ্ছে। বাংলাদেশের সীমান্তে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ করেছে, তাদেরকে আলোকপাত করার ভীষণ ইচ্ছা ছিল। কোন মাসে কোথায় যুদ্ধটা কিভাবে আগাচ্ছে, গেরিলাদের সাক্ষাৎকার, যুদ্ধ পরবর্তীকালে বীরঙ্গনাদের সংখ্যা কতটুকু সঠিক ছিল তা নিয়ে জাতিসংঘে অনেক চিঠি লেখা হয়েছিল। শেখ মুজিবের বাংলাদেশে ফেরত এবং তার যে বিচার হয়েছিল সেগুলোও  লিপিবদ্ধ করেছি। বহির্বিশ্বের মানুষেরা এই যুদ্ধকে কিভাবে দেখছে এবং যুদ্ধের গভীরতম ব্যাপারগুলো আমি প্রতি মাসে ধারাবাহিকভাবে লিখেছিলাম',- নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পর্কে এভাবেই বিষয়গুলো তুলে ধরেছিলেন আবদুল্লাহ জাহিদ। 

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সম্প্রচার 'টক অব দ্যা উইক' অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন তিনি। উপস্থাপনায় ছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন। 

আবদুল্লাহ জাহিদ বর্তমানে নিউইয়র্কের কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরিতে ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে জন্ম ও বেড়ে ওঠা আবদুল্লাহ জাহিদ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৎস্য বিজ্ঞানে অনার্স করেছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের পরিকল্পনা উন্নয়ন একাডেমি থেকে উন্নয়ন অর্থনীতিতে ডিপ্লোমা রয়েছে তার। পরবর্তীতে তিনি 'সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউইয়র্ক' থেকে লাইব্রেরি এবং ইনফরমেশন সায়েন্স মাস্টার্স করেছেন। 

লেখালেখির শুরুটা কবে থেকে জানতে চাইলে আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, 'আমি মূলত একজন পাঠক, পড়তে ভালোবাসি। লেখালিখি শুরু করেছি অনেক পরে। ময়মনসিংহে থাকার সময় একজন প্রতিবেশীর বিশাল লাইব্রেরিতে বাংলা সাহিত্যের সমস্ত ক্লাসিক বই পড়ার সুযোগ হয়েছিল। বইগুলো পড়ার সময় মনে হত আমি কি কোনদিন এভাবে লিখতে পারবো? আমেরিকায় আসার পর ইচ্ছা ছিল জার্নালিজমে পড়াশোনা করবো, জার্নালিস্টিক লেখা লিখবো, কিন্তু সেটা পরবর্তীতে সম্ভব হয়নি। বাবা-মা'র ইচ্ছা অনুসারেই ময়মনসিংহে পড়াশোনা করেছি। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম বিষয়ে পড়াশোনার ইচ্ছা থাকলেও শেষমেশ হয়নি। প্রায় ২৫-২৬ বছর আগে, আমেরিকায় আসার পর একদিন একটা লেখা যায় যায় দিন পত্রিকায় পাঠালাম। শফিক রহমান লেখাটা পড়ে উৎসাহের সাথে আমাকে একটা গাইড লাইন দিলেন। এভাবেই ঠিক গল্প আকারে নয় বরং একধরনের জার্নালিস্টিক টাইপের লেখা শুরু হয়।'

আবদুল্লাহ জাহিদ মূলত নন ফিকশন টাইপের লেখা লেখেন। যা লিখতে গেলে অনেক গবেষণা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের লেখকেরা সাধরাণত গবেষণামুলক লেখা লিখতে চান না। কিন্তু লাইব্রেরিতে কাজ করার দরুণ আমার বিভিন্ন ধরনের সুযোগ থাকার কারণে নন ফিকশন লেখাটা সম্ভব হয়ে ওঠে। প্রথম আলোতে প্রায় একবছর যাবত আমার লেখা একটি কলাম 'বিশ্ব সংবাদপত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ' ছাপা হয়েছিল। যা পরবর্তীতে বই আকারে বাতিঘর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়।'

এছাড়াও সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ম্যাগাজিনে আবদুল্লাহ জাহিদের 'ম্যানহাটন ডায়রি' নামে জনপ্রিয় একটি কলাম ছিল যা পরে বই হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে। বইটি পড়ে অনেকেই অভিমত জানিয়েছেন। তারমধ্যে একজন ছিলেন ক্যাপ্টেন শহীদ, সিয়েরা লিওনে বসবাসরত একজন আর্মি অফিসার। যিনি পরে স্থানীয় হামলায় মৃত্যু বরণ করেন।   

সাহিত্যে অনুবাদের জটিলতা নিয়ে ফরিদা ইয়াসমীন প্রশ্ন রাখেন, আমরা জানি ইংলিশে কিছু শব্দ আছে যা বাংলায় উপযুক্ত আকারে পাওয়া মুশকিল। আবার বাংলায় এমন কিছু শব্দ ও আবেগময়ী ভাব আছে যা ইংলিশে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ‌অনুবাদের ক্ষেত্রে এই জটিলতা কীভাবে সমাধান করেন? আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, 'অনুবাদ কখনো পুরোপুরি সম্ভব না, লেখক কেবলমাত্র ভাবানুবাদ করতে পারেন। বাংলায় অনেক শব্দ আছে যা কখনো ইংরেজিতে করা সম্ভব না। তেমনি ইংরেজির কিছু শব্দকে বাংলায় রূপান্তর করা যায় না। এই পরিস্থিতিতে লেখককে ভাবানুবাদ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। ফিকশন টাইপের কিছু কবিতা ছাড়া আমি তেমন কিছু অনুবাদ করি নাই। 'গিফট অফ ম্যাজাই' নিয়ে একটা অনুবাদের সময় আমি চেষ্টা করেছি যাতে বাংলাদেশি পাঠকরা ভালোভাবে বুঝতে পারে।'

আলোচনাকালে এইচ বি রিতা বলেন, 'গল্পের চাইতে কবিতার অনুবাদ বেশি জটিল, কারণ এখানে আবেগের প্রকাশ ঘটে। বাংলায় আবেগকে প্রকাশের জন্য যে সব শব্দ, বাক‍্য থাকে তা অনেক সময় সঠিক ইংরেজিতে আনা সম্ভব না। আবার গদ্যের ক্ষেত্রে অনেকেই ফ্রেজ কিংবা ইডিয়মসে গড়মিল করেন।' আপনি কি মনে করেন যে অনুবাদের ক্ষেত্রে কাউকে এই বিষয়গুলোর ব্যবহার সম্পর্কে জানা জরুরি? এইচ বিতার এমন প্রশ্নে আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, 'রবীন্দ্রনাথ ইংরেজির দক্ষতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট ছিলেন না। অথচ তিনি ইংরেজি শিখতে ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের আমেরিকা ভ্রমনের সমস্ত তথ্য আমি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জোগাড় করেছি। রবীন্দ্রনাথের সাথে হ্যারিয়েট মুডির অন্তরঙ্গ সম্পর্কের কথা তখনই জানতে পারি। তাদের লেখা চিঠিগুলো থেকে একটা ফিকশনের মতো তৈরি করেছিলাম। রবীন্দ্রনাথ তার চিত্রাঙ্গদা কাব্যটা হ্যারিয়েট কে উৎসর্গ করেছিল। তাই আমি ফিকশনটির নাম দিয়েছিলাম 'চিত্রার প্রেমে রবীন্দ্রনাথ।'

এইচ বি রিতা আরো যুক্ত করেন, 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' প্রথাগত ছন্দের বাইরে গিয়ে নতুন এক শৈলীর সূচনা করেছিল। ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি মোট ১৫৭টি গীতিকবিতার সংকলন ও পদ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়। পরে ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলির ইংলিজ ভার্সন 'সং অফারিংস্' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এতে গীতাঞ্জলির ১৫৭টি গান/কবিতা থেকে মাত্র ৫১টি নেয়া হয় এবং সমসাময়িক আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা সহ মোট ১০৩ টি লেখা রবীন্দ্রনাথ নিজে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন।'

আবদুল্লাহ জাহিদ তার গবেষণা মূলক গ্রন্থ 'বিশ্বসংবাদপত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ' সম্পর্কে বলার সময় স্মৃতিচারণ করে জানান, 'এন্থনী মাসকারেনহাস ছিলেন একজন পাকিস্তানি উর্দুভাষী খ্রিষ্টান সাংবাদিক। পাকিস্তানের "দ্যা মর্নিং নিউজ"র সংবাদদাতা ছিলেন। বাংলাদেশে আসলে কি ঘটছে তা সরেজমিনে দেখার জন্যে সরকারী নির্দেশনাতেই তিনি বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। তদন্ত শেষে তিনি বুঝেছিলেন যে নিউজটা পাকিস্তানে প্রকাশ করা বিপদজনক হবে। তাই সপরিবারে ইংল্যান্ডে চলে যান এবং সেখানকার 'টাইম' পত্রিকায় কাজ করার সময় বাংলাদেশের গণহত্যার বিষয়ে নিউজ প্রকাশ করেন।'

বাংলা সাহিত‍্য টিকিয়ে রাখতে সাহিত‍্য চর্চা-অনুশীলনের বিষয়টা কতটা জরুরি এই মর্মে আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, 'লেখা বেশি হওয়া ভালো, তবে বেশি প্রকাশনার ফলে মান তখন মধ্যম হয়ে যায়। যেমন এবারে একুশের বইমেলায় সাতশো'র বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। কিছু নীচু মানের বই বাদেও আজকাল ভালো লেখকের উন্নতমানের প্রকাশনা রয়েছে। আমাদের দেশে আগের চেয়ে সাহিত্যে চর্চা বেশি হচ্ছে, অনেকেই পরিশ্রম করে প্রতিবছরই কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা বের করছেন।' 

আবদুল্লাহ জাহিদ মনে করেন কেবল বই পড়লেই জ্ঞান বৃদ্ধি পায় না, লেখকের নিজস্ব পছন্দই আসল ব্যাপার।  তিনি বলেন, 'পাঠকদের মধ্যে থেকেই লেখক তৈরি হয়। পড়ার জন্যে এখন বই ছাড়াও বিভিন্ন ডিভাইস আছে। তাই তাদেরকে জেনেরালাইজ করলে চলবে না। একজন লেখককে তার লেখার মান উন্নত ও সমৃদ্ধ করার কোন সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে লেখার ব্যাপারে অবশ্যই বই পড়তে হবে, জানতে হবে এবং চর্চা করতে হবে।' 

'এ দেশের লাইব্রেরি গুলোতে বাঙালি লেখকদের বই স্থান দেয়ার কোনো সুযোগ আছে কি-ফরিদা ইয়াসমীনের এমন প্রশ্নে আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, 'অবশ্যই সুযোগ আছে। নিউইয়র্ক সিটির বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা যেমন জ্যাকসন হাইটস, হইস, জ্যামাইকা, সেন্ট্রাল লাইবেরিতে বাংলা বই আছে। স্থানীয় লেখকদের বই লাইব্রেরি আনন্দের সাথে গ্রহণ করে। অনেকেই তাদের ভালো লেখা আমাকে দিয়েছেন, আমি পড়েছি। কোন বাঙালি লেখকের বই পড়ে দেখে শুনে লাইব্রেরিতে যুক্ত করার সেই অথোরিটি আমার আছে। বুক শেলফ  সাজানোর জন্যে এখানের লাইব্রেরিতে বই রাখে না, তারা বইটার সার্কুলেশন দেখে। দুঃখজনক ভাবে সবার বই একসঙ্গে রাখাও সম্ভব না। বাংলাদেশের নামকরা লেখকদের তুলনায় নতুন লেখকদের জায়গা করে নিতে একটু বেগ পেতে হয়। তবে আমি চেষ্টা করি এখানের লোকাল বাঙালি লেখকদের ভালো বই যুক্ত করতে। তাদের উচিত হবে একটা বইয়ের বদলে বেশ কিছু প্রকাশনা দেয়া। কারণ একটা বই লাইব্রেরির ক্যাটালগে রাখতে লাব্রেরিয়ান কে সময় দিতে হয়।'

আবদুল্লাহ জাহিদ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত‍্যে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করেন। লাইব্রেরিতে কাজ করার সুবাদে বই নিয়েই তার দিনের একটা বড় সময় কাটে। লাইব্রেরিতে অবসর সময়ে শুধু বাংলা বই নয়, অন্য বই পড়ার এবং আলোচনার সুযোগ করে নেন তিনি। অনেকে বছরে একাধিক বই প্রকাশ করলেও আবদুল্লাহ জাহিদের ক্ষেত্রে একটা বইই সম্ভব হয়। 

ভাষার মাসে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ফরিদা ইয়াসমানের উপস্থাপনায় আলোচনা পর্বটি এভাবেই সমৃদ্ধ হয়ে উঠে। পরিচালনায় ছিলেন এইচ বি রিতা। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার 'টক অফ দ্য উইক' অনুষ্ঠানটি প্রতি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক সময় রাত নয়টায় ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারিত হয়ে থাকে। 

সৌজন্যে : উত্তর আমেরিকা প্রথম আলো